ফোন পেয়ে ত্রান নিয়ে হাজির হলেন দাকোপ উপজেলা নিবাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ

দেশজুড়ে

স্বপন কুমার রায়, খুলনা ব্যুরো প্রধান:

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশ মেনে হোম কোয়ারেনটাইনে থেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ।অর্থের অভাবে অনেকে খাদ্যদ্রব্য কিনতে না পারলেও আত্মসম্মানের জন্য অভাবের কথা বলতেও পারছে না। খাবারের অভাবে পরিবারের ৪ জন অভুক্ত।

শনিবার রাত নয়টার দিকে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃআবদুল ওয়াদুদের সরকারি নম্বরে একটি ফোন আসে।। ফোন কারী নিজের পরিচয় দেন চালনা পৌরসভার নলোপাড়ার লুখফর শেখ একজন চা বিক্রেতা। এই চায়ের দোকানের আয়ের উপর স্ত্রী ও দুই সন্তান সহ চারজনের জিবীকা নির্বাহ হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে চলাচল সীমিত করে দিলে সংসারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন চায়ের দোকানটিও বন্ধ হয়ে যায়। খেয়ে-না-খেয়ে কষ্টে দিন কাটছিল তাদের।

এই অবস্থায় ঘরে দুদিন ধরে খাবার নেই জানিয়ে কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদের ব্যবহৃত সরকারি মুঠোফোনে ফোন দেন চা-বিক্রেতার স্ত্রী।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃআবদুলওয়াদুদ চা-বিক্রেতার নম্বরে কল করে সব জেনে রাতেই খাদ্য সহায়তা নিয়ে তাঁর বাড়িতে হাজির হন।

দাকোপ নির্বাহী অফিসার মোঃ. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, সমাজে এক শ্রেণির লোক আছেন, যারা কষ্ট ও অভাবে থাকলেও মানুষের কাছে হাত পাততে পারেন না। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলার কেউ যেন না খেয়ে থাকে সেই লক্ষ্যে প্রতিদিন অভাবীদের খোঁজে বের করে তাদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলার মধ্যে কেউ খাদ্যাভাবে থাকলে তারা আমার আমার সাথে যোগাযোগ করলে তাদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌছে যাবে।.

হৃদয়/এমবিটি

Tagged

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.