দামুড়হুদা চাঁদপুরের সাইফুলের বিরুদ্ধে ৪ ইটভাটা শ্রমিককে ধর্ষন মামলার ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ:পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

দেশজুড়ে

মেহেদী হাসান মিলন:

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের ফলেহারের ছেলে পাতিনেতা দালাল হিসাবে পরিচিত গরু ব্যাপারী সাইফুলের বিরুদ্ধে একই গ্রামের ৪ জন ইটভাটা শ্রমিককে ধর্ষন মামলার ভয় দেখিয়ে পুলিশ ও সাংবাদিক ম্যানেজের নাম করে তাদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পরবর্তীতে সে আবারো তাদের কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবী করছে বলে জানিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।চাঁদপুরের গ্রামের কুদ্দসের মেয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ফার্সি খাতুনকে জোর পূর্বক ধর্ষন চেষ্টার খবর পেয়ে ঘটনার সতত্যা জানতে চাঁদপুরে গেলে বেরিয়ে আসে নানান তথ্য। বেরিয়ে আসে পুলিশ ও সাংবাদিক ম্যানেজ করার মত বড় এক দালালের সন্ধান। যার কারনেই মিথ্যা মামলায় ফাঁসতে পারেন নিরীহ ৪ জন ব্যাক্তি।

জানা গেছে গত শনিবার চাঁদপুর গ্রামের ৪ ইটভাটা শ্রমিক আ: আলিমের ছেলে সানোয়ার, খোরশেদের ছেলে গাফফার,লতিফের ছেলে বিল্লাল,খালেকের ছেলে কাশেম ভাটার কাজ সেরে রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে বাড়ি ফিরছিল।এসময় পথিমধ্য দেখা হয় ফার্সি খাতুনের সাথে। তারাও ফার্সি খাতুনের পিছু পিছু বাড়ি আসার সময় কিছু লোক তাদের ৪ জনের পথরোধ করে নানান রকম বাজে মন্তব্য করতে থাকে।এক পর্যায়ে বিষয়টি তারা খুলে বললে লোকজন তাদের ভুল বুঝতে পারে।এক পর্যায়ে গত দুদিন ধরে এলাকায় মিথ্যা গুজব রটে ফার্সি খাতুনকে তারা ৪ জন মিলে অনৈতিক কাজের উদ্দশ্য মাঠে নিয়ে যাচ্ছিল।লোকজন ধরে ফেলায় তা আর পারেনি।এরই সুযোগ নেই সাইফুল।

সাইফুল ৪ জন ইটভাটা শ্রমিককে জানাই তাদের নামে থানায় মামলা হচ্ছে। এসব ঠিক করতে হলে সাংবাদিক ও পুলিশ কে ম্যানেজ করতে হবে। এজন্য তাদের ২০ হাজার টাকা দিতে হবে।

ভুক্তভোগীরা তখন জানাই তবে তারাও থানায় গিয়ে দেখবে বিষয়টা। তখন সুচুতুর সাইফুল বলে তোরা থানায় গেলে তোদের আটকে দেবে তোরা টাকা দে আমি সব ঠিক করে আসছি।ভুক্তভোগীরা মিথ্যা মামলার হাত থেকে বাঁচতে সাইফুলের হাতে তুলে দেয় ২০ হাজার টাকা।পরবর্তীতে সাইফুল আবারো তাদের কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবী করে।বিষয়টি ভুক্তভোগী ৪ ইটভাটা শ্রমিকের সন্দেহ হলে তারা টাকা দিতে অস্বীকার করে।

ভুক্তভোগী বিল্লাল বলেন আমরা কোন অপরাধ করেনি।যদি করে থাকি তবে সব সাজা মেনে নেব।তবে সাইফুল আমাদের ঘুমাতে দিচ্ছেনা।মামলার ভয় দেখাচ্ছে।মিথ্যা মামলায় হয়রানী হবো বলে সব সহ্য করে টাকাও দিয়েছি।তবে আর না এবার প্রমানে যাবো। যা হবে তা থানাতে হবে। কোন দালালে কাজ হবেনা।অন্যায় করনি তবে কেন টাকা দেব।আর অন্যায় করলে সাজা হবে।

পুলিশ তদন্ত করুক সব সত্য বের হয়ে যাবে ।এ সময় সাইফুল এলাকায় প্রচার করে ফার্সি তাদের নামে থানায় মামলা করতে গেছে।এ বিষয়ে জানতে সাইফুলের মুঠোফোনে বারংবার রিং দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

এ বিষয়ে জানতে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আ:খালেকের সাথে কথা বললে তিনি জানান এ ধরনের কোন মামলা হয়নি থানায়।তিনি বিষয়টি শোনার পর ফোর্স পাঠিয়ে তদন্ত করেছেন তবে ঘটনার কোন সত্যতা নেই।পুলিশ ও সাংবাদিকের নাম ভাঙ্গিয়ে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া গরুর ব্যাপারী দালাল সাইফুলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি দিতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জাহিদুল হাসানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল।

হৃদয়/এমবিটি

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.